বর্তমানে আমরা সবাই cholesterol নিয়ে বেশ চিন্তায় আছি। কি করলে এই cholesterol নিয়ন্ত্রণে থাকবে, তা নিয়ে নানান সাজেশন আমরা প্রতিনিয়ত পেতেই থাকি।
বলতে গেলে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখার উপায় আসলে ৩ টি, যেমনঃ
১। ডাক্তারের পরামর্শ মতো ওষুধ সেবন করা ( যদি প্রয়োজন হয়)
২। নিয়মিত ১ ঘণ্টা জোরে জোরে হাঁটা বা ব্যায়াম করা।
৩। ডাক্তারের পরামর্শ মতো খাদ্য নির্বাচন করা এবং লাইফ স্টাইলে পরিবর্তন আনা।
অনেকেই আছেন, যারা ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া, শুধুমাত্র বন্ধু বা স্বজনদের কথা শুনে, নিজে নিজে কোলেস্টেরলের ওষুধ খেয়ে থাকেন আবার কিছুদিন পর সেটা বন্ধও করে দেন। এক্ষেত্রে সাময়িক কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে থাকলেও, তা ডেকে আনতে পারে ভয়াবহ জটিলতা, যার পরিণতি মৃত্যু ছাড়া আর কিছুই নয়। তাই এক্ষেত্রে আপনার ডাক্তারই হবেন আপনার সবচেয়ে আপন বন্ধু। কেবল মাত্র একজন ডাক্তার আপনার নানান দিক বিবেচনা করে, নানা পরীক্ষা নিরীক্ষা করে, আপনাকে একটি পুরনাঙ্গ চিকিৎসা দিবেন। কেবল তিনি আপনাকে বলে দিবেন, ঠিক কিভাবে এবং কতদিন ওষুধ চালিয়ে যেতে হবে। ওষুধের পাশাপাশিও তিনি আপনাকে বলে দিবেন, কোন কোন খাবার খেতে হবে, আর কোনগুলো বাদ দিতে হবে। শুধু তাই নয়, কিভাবে জীবন যাপন করলে আপনার কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে থাকবে, সেটাও তিনি বলে দিবেন। তাই কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে ডাক্তারেরে পরামর্শের কোন বিকল্প নেই।
একটি মজার ব্যাপার হলো, আমরা যদি প্রাণী থেকে আসা সকল প্রকার খাবার গ্রহণ, একেবারে কমিয়ে দেই কিংবা বাদ দিয়ে দেই, তাহলে কিন্তু আমাদের cholesterol অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে।
গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে, প্রাণিজ উৎস থেকে আসা খাবারে cholesterol বিদ্যমান থাকে। কিন্তু উদ্ভিজ্জ উৎস থেকে আসা খাবারে কোন প্রকার cholesterol থাকে না।
আবার প্রতিদিন নিয়ম করে হাঁটাহাঁটি না করলে, কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখা খুবই কঠিন। তাই এক্ষেত্রে আপনাকে হাঁটায় কিংবা ব্যায়ামে মনোযোগী হতে হবে দ্বিগুণ পরিমাণে। তাই প্রতিদিন ৪৫/৬০ মিনিট জোরে জোরে হাঁটুন বা ব্যায়াম করুন।
এই লেখার উদ্দেশ্য চিকিত্সা নয়, শুধুমাত্র সচেতনতা বৃদ্ধি করা। কোন ভাবেই এটিকে প্রেসক্রিপসন বা রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করা যাবেনা।
যেকোনো রোগ বা সমস্যার জন্য ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
…….. তিনা শুভ্র ।।
